শহরনামা
১
তুমি ছাড়া এই শহর একেবারেই আনাড়ি !
তোমার নির্বাক সময়ক্ষেপণে চলে রাজ্যের বাড়াবাড়ি ৷
কেবল তোমার শৈল্পিক উপাখ্যানে শহর জুড়ে
প্রেমিক যুগলের অবাধ্য হাত করে বাহাদুরী !
তুমি বলে দিলেই বেহিসেবী বাইপাস রোড উড়ালসেতু হয়ে
লাজুক মেয়েটার ব্যালকনির কার্নিশে যেয়ে থামে !
উদ্যত শপিংমলগুলো বুক চিরে আকাশ নামায়,
নিজেকে সাজায় সবুজের কোমল চাদরে ৷
তুমি ফুটপাত ধরে হাটলেই সপ্তাহন্তে ময়লার ডিপোগুলো হয়ে উঠে
চকচকে তকতকে শখের শহুরে উদ্যান !
তোমার ঘুম ভাঙ্গলেই কাগজের ছেলেটার স্কুল যাওয়া
হয় এ ব্যাস্ত শহরের নতুন খবর আর গান ৷
তোমার ক্লান্ত পায়ের পাদুকায় শহুরে ধুলোর গল্পে
হয়তো বসে না শান্ত হয়ে নয়তো বেসুরে !
তবু রোজ এ শহরে রমনীর দেহের গড়ন ভাঙ্গে
সেলাই মেশিনে স্বপ্ন গুলো এক এক করে জুড়ে ৷
২
অতপর জাহাজের মাস্তুলে হয়তো সারেং তুলেনি অদ্যবধি নিজের পরিচায়ক !
বন্দরে শহরে ক্লান্ত নাবিক বিদায় চাহে আপনার কাছে ! কে পথ চেয়ে ঘরে ?
অগুনিত সন্তানে বাড়ন্ত হে প্রিয়তমা, আজও ক্লান্ত নও তুমি ?
দেখো ! কি স্বপ্ন দুচোখে ! জেগে আছি ৷ স্বামী ! জানো কে আমি !
আমার নিরবতায় তোমার যৌবন কতটা সরলতা ভ্রুকুটি !
আমি তাই জেগে আছি ! পাগল বলেই রাখি তোমায় পরিপাটি ৷
বালকের প্রথম দৃপ্ত পদক্ষেপ,মমতাময়ীর বারংবার সতর্কবাণী,
কিশোরীর ভুল প্রেমের পৃষ্ঠ গোলাপ,
বাবার স্বপ্নের খুন, যুবকের মজবুত বাহুর গড়ন থাক !
হয়তো এসবই ভালবাসা কিংবা অভিশাপ !
এই শহরে আমি না থাকলেই তাই থমকে যায় অনেক কিছুই !
শুরু হয় নষ্টের নিত্য অপ আলাপ ! শব্দভূক ব্যাস্ত হয়ে যায় ! যান্ত্রিক হয়ে উঠে সবাই ৷
তুমি ছাড়া এই শহর একেবারেই আনাড়ি !
তোমার নির্বাক সময়ক্ষেপণে চলে রাজ্যের বাড়াবাড়ি ৷
কেবল তোমার শৈল্পিক উপাখ্যানে শহর জুড়ে
প্রেমিক যুগলের অবাধ্য হাত করে বাহাদুরী !
তুমি বলে দিলেই বেহিসেবী বাইপাস রোড উড়ালসেতু হয়ে
লাজুক মেয়েটার ব্যালকনির কার্নিশে যেয়ে থামে !
উদ্যত শপিংমলগুলো বুক চিরে আকাশ নামায়,
নিজেকে সাজায় সবুজের কোমল চাদরে ৷
তুমি ফুটপাত ধরে হাটলেই সপ্তাহন্তে ময়লার ডিপোগুলো হয়ে উঠে
চকচকে তকতকে শখের শহুরে উদ্যান !
তোমার ঘুম ভাঙ্গলেই কাগজের ছেলেটার স্কুল যাওয়া
হয় এ ব্যাস্ত শহরের নতুন খবর আর গান ৷
তোমার ক্লান্ত পায়ের পাদুকায় শহুরে ধুলোর গল্পে
হয়তো বসে না শান্ত হয়ে নয়তো বেসুরে !
তবু রোজ এ শহরে রমনীর দেহের গড়ন ভাঙ্গে
সেলাই মেশিনে স্বপ্ন গুলো এক এক করে জুড়ে ৷
২
অতপর জাহাজের মাস্তুলে হয়তো সারেং তুলেনি অদ্যবধি নিজের পরিচায়ক !
বন্দরে শহরে ক্লান্ত নাবিক বিদায় চাহে আপনার কাছে ! কে পথ চেয়ে ঘরে ?
অগুনিত সন্তানে বাড়ন্ত হে প্রিয়তমা, আজও ক্লান্ত নও তুমি ?
দেখো ! কি স্বপ্ন দুচোখে ! জেগে আছি ৷ স্বামী ! জানো কে আমি !
আমার নিরবতায় তোমার যৌবন কতটা সরলতা ভ্রুকুটি !
আমি তাই জেগে আছি ! পাগল বলেই রাখি তোমায় পরিপাটি ৷
বালকের প্রথম দৃপ্ত পদক্ষেপ,মমতাময়ীর বারংবার সতর্কবাণী,
কিশোরীর ভুল প্রেমের পৃষ্ঠ গোলাপ,
বাবার স্বপ্নের খুন, যুবকের মজবুত বাহুর গড়ন থাক !
হয়তো এসবই ভালবাসা কিংবা অভিশাপ !
এই শহরে আমি না থাকলেই তাই থমকে যায় অনেক কিছুই !
শুরু হয় নষ্টের নিত্য অপ আলাপ ! শব্দভূক ব্যাস্ত হয়ে যায় ! যান্ত্রিক হয়ে উঠে সবাই ৷
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন